সোনাইছড়ি ট্রেইলে স্বপ্নযাত্রার দল (বিস্তারিত গাইডলাইন)

সোনাইছড়ি ট্রেইলটি চট্রগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বারৈয়াঢালা অভয়ারণ্যের আওতাভুক্ত । সোনাইছড়ি ট্রেইলটি খুবই দুর্গম এবং এডভেন্জারে ভরপুর ।। বড় বড় পাথরে পরিপূর্ণ ট্রেইলটি বর্ষাকাল ভয়াবহ রুপ ধারণ করে তখন পুরো ট্রেইলটি শেষ করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ তবে বর্ষার শেষ আর শীতকালে তুলনামুলক সহজ এই ট্রেইলটিতে ট্রেকিং করে শেষ করা ।।

আমরা স্বপ্নযাত্রার দল ৩০ জন স্বপ্নযাত্রী নিয়ে ১ লা ফেব্রুয়ারী এই সোনাইছড়ি ট্রেইলটিতে ঘুরে এসেছি ।। অনেকেই নতুন ছিলো যারা কখনো এর আগে কোন পাহাড়ে যায়নি বা ঝিরপথ ট্রেইলে কখনো হাটেনি কিন্তু সবার সহযোগীতায় সবাই্ সুন্দর করে এটি শেষ করে আসতে পেরেছি ।।

সোনাইছড়ি ট্রেইলটি তে যেতে হলে আপনাকে ঢাকা থেকে চিটাগাং এর বাসে উঠতে হবে এবং নামতে হবে মিরসরাই বাজারের পর হাদিফকিরহাট বাজার ,বাসকে বললেই নামিয়ে দিবে  । আমাদের সাথে রিজার্ভ করা বাস ছিলো । রাতে রওয়ানা হয়ে গিয়েছিলাম একদম কাক ঢাকা ভোরে এসে বাস পৌছায় হাদি ফকিরহাট বাজারে ।। এখানে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা সেরে নিয়ে একটা সিএনজি নিয়ে বাজারের পূর্ব দিকের রাস্তা ধরে সোনাইছড়ি ট্রেইল যেখান থেকে শুরু হয় সে পর্যন্ত সিএনজি আমাদের এগিয়ে দেয় ।। রাস্তাটা না চিনলে বাজারে যে কাউকে বললেই দেখিয়ে দিবে সোনাইছড়ি ট্রেইলের রাস্তা কোনটা ।।

ভয়ংকর সুন্দর এই সোনাইছড়ি ট্রেইল

যাই হোক সোনাইছড়ি ট্রেইলটি মুলত তার সৌন্দর্য্যের জন্য জনপ্রিয় এর বড় বড় পাথরের এডভেন্জারে ভরপুর ট্রেইলটিতে ছোট খাট ক্যাসকেইড আর একদম শেষের দিকে একটি ঝর্ণা আছে ।। তবে বর্ষায় এই ট্রেইলটি শেষ করা সত্যিই খুব বিপদজনক । না বুঝে না জেনে বর্ষায় এই ট্রেইলে যাবেন না ।

এই ট্রেইলট শেষ করতে আপনার দেড় থেকে দুই ঘন্টার মত সময় লাগবে আর ফেরার সময় একটি শর্ট কার্ট রাস্তা আছে পাহাড়ের উপর দিয়ে এটি দিয়ে মাত্র এক ঘন্টায়ই ফিরে আসতে পারবেন ।

সিএনজি যেখানে নামিয়ে দিবে ওখানেই একটা দোকান আছে সেখানে বললেই গাইড পাবেন বা আশে পাশের কোন ছোট ছেলে পেলেকে গাইড হিসেবে নিয়ে নিতে পারেন এদেরকে ২০০/৩০০ টাকা দিলেই পুরো রাস্তা চিনিয়ে নিয়ে যাবে এবং নিয়ে আসবে ।।

সিএনজি ভাড়া রিজার্ভ ১০০ টাকা নিবে  নাম্বারটি রেখে দিবেন সিএনজি ওয়ালার ফিরে আসার পর ফোন দিলে আবার নিয়ে যাবে ।  যেখানে নামিয়ে দিবে সেই দোকানের দোকানদার জয়নাল ভাইকে বললে উনি দুপুরের খাবার নিজের বাসায় রেঁধে রেখে দিবে ট্রেইল থেকে ফিরে এসে খেতে পারবেন এবং উনার বাসায় সবাই ফ্রেশ হতে পারবেন 🙂

আরও কিছু জানার থাকলে আমাদের ফেইসবুক গ্রুপে পোস্ট দিতে পারন আমরা সর্বাত্নক সাহায্য করবো যেকোন বিষয়ে

পুরো সোনাইছড়ি ট্রেইলের ভিডিওটি দেখতে পারেন একটা ধারণা পাবেন

 

ভারতীয় ভিসার জন্য কি কি কাগজপত্র লাগে জেনে নিন

অনেকেই জানতে চায় ভারতীয় ভিসার জন্য কি কি কাগজপত্র লাগে সেজন্য ছোট্র একটি ব্লগ লিখে ফেললাম সবার সুবিধার জন্য ।।

ভারতীয় ভিসার যা যা লাগবে :

১/ অনলাইনে পুরণকৃত ফর্ম , http://www.ivacbd.com এই লিংকে গিয়ে অনলাইন ভিসার জন্য ফর্ম পুরণ করতে হবে এবং এটিকে প্রিন্ট করে নিতে হবে ।।

২/ দুই বাই দুই ইন্জি ছবি লাগবে যার ব্যাকগ্রাউন্ড হতে হবে সাদা ।। এই ছবিটি অনলাইন ফর্ম পুরণের সময়ও দিতে হবে এবং অনলাইন ফর্ম প্রিন্ট করার পরও আঠা দিয়ে ফর্মে লাগিয়ে দিতে হবে ।। যতটা সম্ভব সাম্প্রতিক ছবি দিবেন

৩/ আপনার বর্তমান ঠিকানা প্রমাণের জন্য বিদ্যুৎ /গ্যাস /বা যেকোন ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি । এখানে বাবার নাম বা কারো নাম ফ্যাক্ট নয় জাস্ট বর্তমান ঠিকানাটা থাকলেই হবে ।। তিন মাসের বেশি পুরাতন ইউটিলিটি বিলের কপি দিবেন না ।।

৪/ পাসপোর্ট এবং পাসপোর্টের ফটোকপি

৫/ এনআইডি অথবা জন্মসনদ ,পাসপোর্ট যেটা দিয়ে করেছেন সেটার ফটোকপি দিবেন

৬//ছাত্র হলে আইডি কার্ডের ফটোকপি আর চাকুরিজীবি হলে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট সংক্ষেপে NOC আর ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এর ফটোকপি ।

৭/ডলার এন্ড্রসমেন্ট করতে হবে ব্যাংক থেকে ( মানি এক্সচেন্জার থেকে করলে সেটা এম্বেসীতে গ্রহণযোগ্য হবেনা ,.ব্যাংক থেকেই করতে হবে ) সর্বনিম্ন ১৫০ ডলার ,এন্ড্রসমেন্ট করার পর একটা কাগজ দিবে সেটার মুলকপি

অথবা আপনি আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্টও জমা দিতে পারেন সেক্ষেত্রে বিগত ছয়মাস ধরে সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা একাউন্টে থাকতে হবে ।

ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা ডলার এন্ড্রোসমেন্ট যেকোন একটি দিবেন ।

ভিসা ফী ৮০০ টাকা যা এম্বেসীতে প্রবেশের পূর্বে পরিশোধ করে ভিতরে ঢুকতে হবে এম্বেসির  বাইরে অনেক দোকান আছে যার মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন অথবা চাইলে ইউক্যাশ অথবা অনলাইনে নিজের বিকাশ বা ব্যাংক একাউন্ট দিয়েও দিতে পারবেন । অনলাইনে দিতে চাইলে এই লিংকটির মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন https://payment.ivacbd.com

ভিসা সংক্রান্ত কিছু প্রশ্ন এবং তার উত্তর :

প্রশ্ন : ভিসা সেন্টার কবে এবং কয়টা থেকে কয়টা খোলা থাকে ?

দেশের সকল ভারতীয় ভিসা সেন্টার সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত খোলা থাকে এ সময়ের মাঝে আপনার ভিসা জমা দিতে হবে অবশ্যই ।। এবং সকল ভিসা সেন্টার শুক্র এবং শনিবার বন্ধ থাকে বাকী ৫ দিন খোলা থাকে ।।

প্রশ্ন : জমা দেবার পর ভিসা পেতে কতদিন লাগে ?

ভিসা সেন্টারে কাগজপত্র জমা দেবার পর ৭-১০ দিন সময় লাগে ভিসা পেতে ,আপনি যখন কাগজপত্র জমা দিবেন তখনই আপনাকে জানিয়ে দিবে কবে পাসপোর্ট এসে ফেরত নিয়ে যাবেন ।।

প্রশ্ন : আমি নিজে না গিয়ে কি ভিসার আবেদন জমা করতে পারবো অন্য কাউকে দিয়ে ?

পারবেন তবে সবাই পারবেনা ।। স্বামী তার ওয়াইফেরটা ,ওয়াইফ তার স্বামীরটা ,সন্তান তার  বাবা মায়েরটা ,বাবা মা তার সন্তানের ভিসার আবেদন জমা এবং উত্তোলন করতে পারবে ।। এছাড়া আর কেউ জমা বা উত্তোলন করতে পারবেনা ।।

প্রশ্ন : আমার কাছে মেসেজ এসেছে আমি কি ভিসা পেয়েছি ?

-ডেলিভারী মেসেজ আসা মানে আপনার পাসপোর্টটি ভিসা সেন্টার থেকে ডেলিভারী দেবার জন্য রেডি  এর সাথে ভিসা পেয়েছেন নাকি পাননি এর কোন সম্পর্ক নেই । আগে থেকে বলা যায়না আপনি ভিসা পেয়েছেন নাকি পাননি আপনি যখন পাসপোর্টটি হাতে পাবেন তখন নিজেই দেখতে পারবেন ভিসা দিয়েছে নাকি দেয়নি এর আগে কোনভাবেই জানতে পারবেন না ভিসা পেয়েছেন নাকি পাননি ।।

প্রশ্ন : পাসপোর্ট/ভিসা ডেলিভারীর সময় কি আমি ছাড়া অন্য কেউ নিয়ে আসতে পারবে ?

না আপনার নিজেরই যেতে হবে অন্য কাউকে দিয়ে আনতে পারবেন না ,তবে জমা দেবার মতোই স্বামী তার স্ত্রীরটা ,স্ত্রী তার স্বামীরটা ,সন্তান তার  বাবা মায়েরটা ,বাবা মা তার সন্তানের ভিসা/পাসপোর্ট ডেলিভারী আনতে পারবে ।।

প্রশ্ন : আমার ডেলিভারী ডেইট অমুক তারিখ কিন্তু আজকেই মেসেজ চলে আসছে আমি কি আজকে গেলে পাসপোর্ট ফেরত পাবো এম্বেসী থেকে ?

না ,আপনার স্লিপে যে তারিখ লেখা আছে সে তারিখেই আপনাকে যেতে হবে এর আগে মেসেজ আসলেও এম্বেসীতে গেলে আপনি পাসপোর্ট ফেরত পাবেন না ,স্লিপে যে তারিখ লেখা আছে সে তারিখে বা সে তারিখের পরে যেকোন দিন গেলেই হবে ।।

প্রশ্ন : ডেলিভারী ডেট চলে আসছে কিন্তু কোন মেসেজ পাইনি কি করবো ?
-আপাতত দুই একদিন অপেক্ষা করে মেসেজের জন্য অপেক্ষা করুন যদি ডেলিভারী ডেটের দুই একদিন পরেও মেসেজ না পান তাহলে এম্বেসীতে গিয়ে যোগাযোগ করুন ।।

প্রশ্ন : ভিসা ফর্ম পুরণ করার সময় ভারতীয় রেফারেন্স কি দিবো ?

আপনি যেখানে যাবেন সেই জায়গায় কোন হোটেলের এড্রেস গুগল করে বের করে ওটাই রেফারেন্স হিসেবে দিবেন ।।এটা জাস্ট দেওয়ার জন্য দেওয়া 🙂

প্রশ্ন : আমার ওয়াইফতো হাউজওয়াইফ সেক্ষেত্রে জব ডিটেইলস বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট কি দিবো ?

সেক্ষেত্রে ফর্মে হাউজওয়াইফ পুরণ করে স্বামীর জব ডিটেইলস দিয়ে দিবেন । স্ত্রীর ব্যাংক একাউন্ট না থাকলে স্বামীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিবেন তবে ব্যাংক স্টেটমেন্ট না দিয়ে ডলার এন্ড্রোস জমা দিতে চাইলে স্বামী স্ত্রী দুইজনেরই ডলার এন্ড্রোস করতে হবে ।

প্রশ্ন : আমিতো স্টুডেন্ট ব্যাংক স্টেটমেন্ট নাই

সেক্ষেত্রে বাবা অথবা মায়ের ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দিতে পারবেন অথবা ডলার এন্ড্রোস করে নিতে পারেন

প্রশ্ন : ব্যাংক স্টেটমেন্ট নেবার পর কতদিন পর্যন্ত জমা দেওয়া যায়

যেদিন ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিবেন তার সর্বোচ্চ ১৫দিন পর্যন্ত এর ভ্যালিডিটি থাকে মানে ১৫দিনের মাঝে জমা দিতে পারবেন এরপর হলে আবার নতুন করে ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিতে হবে । আর এন্ড্রোস করলে তার মেয়াদ একমাস পর্যন্ত থাকে ।।

প্রশ্ন : অনলাইনে ফর্ম পুরণ করার পর কতদিন পর্যন্ত জমা দেওয়া যায় ?

যেদিন ফর্ম পুরণ করবেন তার তিনদিন পর্যন্ত তার ভ্যালিডিটি থাকে তাই ফর্ম পুরণ করার তিনদিনের মাঝে জমা দিবেন অবশ্যই না হয় আবার নতুন করে ফর্ম পুরণ করতে হবে

প্রশ্ন : আমাকে কতদিনের ভিসা দিবে ?

উত্তর : আপনাকে কত দিনের ভিসা দিবে এটা সম্পূর্ণ ভারতীয় ভিসা সেন্টারের বিষয় এটা আগে থেকে কেউ বলতে পারেনা ।আপনি আবেদন করবেন ১ বছরের জন্যই কিন্তু ভিসা সেন্টার তার মর্জি মতো ৩মাস ,৬মাস বা এক বছরের ভিসা দিতে পারেইটি সম্পুর্ন ভিসা সেন্টারের এখতিয়ার আমার বা আপনার কিছু করার নেই ।।

প্রশ্ন : আমাকে ভিসা দিলোনা কেন ? সব কাগজপত্রতো ঠিক ছিলো 
উত্তর : সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও কেন ভিসা দেয়না সেটা ভারতীয় ভিসা সেন্টার কখনোই বলেনা এটা ওদের মন মর্জির উপরে নির্ভর করে তাই কেন রিজেক্ট করা হইছি তার কোন কারণ নেই ।। বা সেটা জানারও কোন সিস্টেম নেই

প্রশ্ন : ডলার এন্ড্রোসমেন্ট নাকি ব্যাংক স্টেটমেন্ট ভালো ভিসার জন্য ?

ভালো মন্দ এখানে কোনটাই নেই দুইটাই ভালো ,আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট থাকলে সেটা দিয়ে ভিসার আবেদন করুন না থাকলে ডলার এন্ড্রোসমেন্ট করে সেটা দিয়ে আবেদন করুন ব্যাস সিম্পল ।

প্রশ্ন : ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিয়ে ভিসা করেছি এখন কি ভারতে যাবার সময় ডলার এন্ড্রস করতে হবে ?

-আপনি ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিয়ে ভিসা করলে ভারত বা বিদেশের যেকোন দেশে যাবার সময় ডলার এন্ড্রোস করে ডলার নিয়ে যেতে হবে এটাই বৈধ উপায় । ব্যাংক স্টেটমেন্ট শুধুমাত্র ভিসা নেবার ক্ষেত্রে কাজে লাগে বাইরের দেশে ডলার নিয়ে যেতে হলে নিয়মানুযায়ী অবশ্যই ডলার এড্রোস করে নিতে হয় যেকোন ব্যাংক অথবা মানি এক্সচেন্জার থেকে ,মানি এক্সচেন্জার জেলা সদর বা ঢাকা শহরের যেকোন জায়গায়ই আছে খোজলেই পাবেন ।।

প্রশ্ন : দেশের বাইরে যাবার সময় আমি কত ডলার বা কত রুপি বা কত টাকা সাথে নিতে পারবো 

উত্তর : বাংলাদেশ সরকারের নিয়মানুযায়ী আপনি ১০ হাজার বাংলাদেশী টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার এন্ড্রোস করে সাথে নিয়ে যেতে পারবেন তবে বৈধভাবে বা সরকারী নিয়মে আপনি রুপি নিয়ে যেতে পারবেন  তবে অনেকেই লুকিয়ে বা ব্যাগের ভিতরে করে  রুপি নিয়ে যায় সেটা তাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত বিষয় এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই ।

প্রশ্ন : বর্ডারে কি এনওসি দেখাতে হয় ?

-জ্বি এনওসির একটি কপি বাংলাদেশ পুলিশ দেখতে চাইবে যদি আপনি এনওসি দিয়ে ভিসা করিয়ে থাকেন তাহলে এক কপি এনওসি ফটোকপি সাথে রাখবেন

কারো কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন 🙂

  • Tags
Facebook
YouTube