অক্সিজেনের দেশ ভুটানে স্বপ্নযাত্রার সাথে (৫ই মার্চ)

স্বপ্নযাত্রার অফিসিয়াল ফেইসবুক গ্রুপ : https://web.facebook.com/groups/shopnojatratravel/

দেশভেদে একেকদেশকে একেক নামে আখ্যায়িত করা হয় ,ভুটানকে বলা হয় অক্সিজেনের দেশ  পরিবেশ আর সৌন্দর্য্য দুইটির এক অপরুপ মেলবন্ধন হলো ভুটান । সৌন্দর্য্য যেমন পেখম মেলেছে ভুটানে তেমনি পরিবেশের দিক থেকেও ভুটান বিশ্বের রোল মডেল বলাই চলে । ভুটানের সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হয়ে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পর্যটকের আগমন ঘটে ভুটানে ! 🙂

আমরা এবার যাচ্ছি ভুটানে ঘুরতে ।।

তাহলে চলুন ভুটান ট্যুর নিয়ে আমাদের প্লানটা শেয়ার করে ফেলি 

রওয়ানা :  ৫ই মার্চ রাত সাড়ে আটটায় বাসে কল্যানপুর ঢাকা থেকে ।

ফেরা   ১১ই মার্চ  রাতের বাসে উঠবো ১২ তারিখ সকালে এসে নামবো ঢাকাতে ।।

ট্যুর ফী : ট্যুর ফী নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৪৯৯  টাকা ।

কেউ নন এসি বাসে যেতে চাইলে তার ফী হবে ১৯৪৯৯ টাকা ।।

এই টাকার মধ্যে যা যা অর্ন্তুভুক্ত :

-ঢাকা টু বুড়িমারি এসি বাসে আসা যাওয়া
-ভারতীয় বর্ডার টু ভুটান আসা যাওয়া এবং ভুটানে প্রতিদিন ঘুরে বেড়ানোর জন্য গাড়ী
— প্রতিদিনের সকালের নাস্তা ,দুপুরের খাবার ও রাতের খাবার।
-শেয়ারিং এ স্ট্যান্ডার্ট মানের হোটেলে/রিসোর্টে প্রতি রুমে দুইজন হিসেবে থাকার ব্যবস্হা ।। মোট ৫ রাত এক রাত ফুন্টসোলিং এক রাত থিম্পু এক রাত পুনাখা আর দুইরাত পারু ।
-ভিসার অনলাইন ফর্ম পুরণ ও কনসালটেন্সি

যা অর্ন্তুভুক্ত নয়

-আপনার কোন ব্যক্তিগত খরচ
-ট্রাভেল ট্যাক্স
-ট্যুর ফী এর অর্ন্তুভুক্ত নয় এমন যেকোন খরচ ।
-ঢাকা টু বুড়িমারী বাস বিরতির সময় খাবার
-বর্ডারে কোন ঘুষ বা স্পিড মানি

কিভাবে ট্যুরটিতে কনফার্ম করবেন :

ট্যুর কনফার্মেশন করার জন্য আপনাকে ১০২০০ টাকা জমা দিয়ে ট্যুর কনফার্ম করতে হবে (অফেরতযোগ্য) ,এক্ষেত্রে বিকাশ/ব্যাংক /বা অফিসে এসে সরাসরি জমা দিতে পারবেন । বিকাশ ০১৭১৭ ৯৬০৯৫৫ / ০১৯৭৭ ৯৬০৯৫৫ পার্সোনাল । আমাদের অফিস Shop 106,Midtown shopping Mall ,Beside of Purobi Cinema Hall ,Mirpur 11 Dhaka 1216 এসেও দেখা করে বুকিং দিতে পারেন বা যেকোন বিষয়ে আলাপ করতে পারেন 🙂 অথবা ব্যাংকেও টাকা পাঠাতে পারেন

Mamun Billah Bhuiyan City Bank Ltd Comilla
AC NO 2801822015001

ভিসা :

খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ এটা ,ভুটানে বাই রোডে যাবার জন্য প্রয়োজন হয় ভারতীয় ট্রানজিট ভিসার যা আমরা ভারতীয় এম্বেসী থেকে সংগ্রহ করবো আর ভুটানের ভিসা অন এরাইভাল মানে আমরা গিয়ে ওখান থেকে সংগ্রহ করে নিবো । যাদের র্বতমানে ভারতীয় ভিসা আছে তাদেরও ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে । ভিসা সংক্রান্ত যাবতীয় সহযোগীতা আমরা করবো আপনার শুধু একটি ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকলেই হবে বাকীটা আমাদের দায়িত্ব  সবাই মিলে একদিন সম্ভাব্য তারিখ ফেব্রুয়ারী ১০ তারিখ গিয়ে ভিসার জন্য আবেদন করবো যেহেতু ট্রানজিট ভিসার মেয়াদ মাত্র ১৫ দিন থাকে তাই ভ্রমণের ঠিক আগে ১০/১৫ দিন আগে ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়

ট্যুর প্লান :

দিন ০ : ৫ই মার্চ রাতের বাসে ঢাকা থেকে বুড়িমারী বর্ডারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা ।

দিন ১ : সকালে বুড়িমারি নেমে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা সেরে নিবো ,এরই মাঝে বর্ডারের প্রসেসিং শুরু হয়ে যাবে ,বাংলাদেশ অংশের কাজ শেষ করে ভারতীয় অংশের কাজ শেষ করে আমরা ভুটান বর্ডারের উদ্দেশ্যে গাড়ীতে রওয়ানা হবো ,ভুটান বর্ডারে পৌছে সব কাজ শেষ করে ফুন্টোসোলিং এ রাতে থাকবো 🙂

দিন ২ : সকালে নাস্তা সেরে থিম্পুর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবো এবং থিম্পু পৌছে ,আমরা দেখবো কিংস মেমোরিয়াল চর্টেন, বুদ্ধ দরদেনমা স্ট্যাচু বা বুদ্ধ পয়েন্ট, সিমতোখা জং, তাকিন রিজার্ভ বা চিড়িয়াখানা ,তাশিচো জং ,পার্লামেন্ট হাউস আর রাজার প্রাসাদ। সারাদিন থিম্পু ঘুরে থিম্পুতেই রাতে থাকবো ।

দিন ৩ : সকালে উঠে থিম্পু থেকে পুনাখার উদ্দেশ্য রওয়ানা হবো ,দোচুলা পাস দেখবো ,পুনাখা জং দেখবো এবং এদিন আমরা পুনাখায় নদীতে রাফটিং ও করবো । রাতে পুনাখাতেই থাকবো ।

দিন ৪ ; সকালে উঠে পারোতে চলে যাবো এদিন দেখবো পারো এয়ারপোর্ট ভিউ ,মিউজিয়াম এবং চেলালা পাস

দিন ৫ : সকালে গাড়ী নিয়ে বের হয়ে দেখবো টাইগার নেস্ট এবং বাকী সময় শপিং এর জন্য সবাইকে নিজের মতো করে ছেড়ে দেওয়া হবে ।

দিন ৬ : ১১ই মার্চ বাংলাদেশের উদ্দেশে রওয়ানা হয়ে যাবো বর্ডার ক্রস করে বুড়িমারী চলে আসবো সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে যাবো ,পরদিন ভোরে ঢাকা পৌছে যাবো 

কনফার্ম করার ডেডলাইন :

ভুটানের ট্রানজিট ভিসার জন্য কনফার্ম বাস টিকেট এবং হোটেল বুকিং এর পেপারস প্রয়োজন হয় বিধায় যত দ্রুত সম্ভব কনফার্ম করতে হবে আমরা সে অনুযায়ী বাস টিকেট এবং হোটেল বুকিং এর পেপারস জোগাড় করে নিবো । কনফার্ম করার সর্বশেষ তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারী নির্ধারণ করা হয়েছে । তবে ২০জনের কোটা পূর্ণ হলেই ক্লোজ করে দেওয়া হবে 🙂 যেহেতু আমরা  ২৬ শে ফেব্রুয়ারি একসাথে সবাই ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদন করবো তাই ভিসা আবেদনের আগেই টাকা জমা দিয়ে আপনাকে ট্যুর কনফার্ম করতে হবে 🙂 কোন কারণে কারো ভিসা নাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে 🙂

ট্যুর সম্পর্কিত কিছু কথা যা আপনি বুঝেছেন এবং মেনে নিয়েছেন বলে ধরে নিবো আমরা :

# ভুটানে আইন কানুন খুবই কড়া এ ব্যাপারে সাবধান করা হচ্ছে সবাইকে ,পাবলিক প্লেসে সিগারেট খাওয়া নিষিদ্ধ ধরা পড়া মাত্রই জরিমানা বা ক্ষেত্রবিশেষ বহিষ্কারও করে দেয় । ভুটান খুবই পরিচ্ছন্ন দেশ তাই যেখানে সেখানে ময়লা ফেলাওএ নিষেধ ।

# ভুটান এবং ভুটানের সংষ্কৃতি কালচারকে সম্মান জানাতে হবে ,স্হানীয় ভুটানিদের সাথে ভালো আচরণ করতে হবে ।

# ভুটানের খাবার দাবার খুব একটা সুবিধার না ,বাঙ্গালীদের খাবারে খুব অসুবিধা হয় , সেক্ষেত্রে সবাইকে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে ।

# সবাই পাসপোর্টের ৫ কপি ফটোকপি এবং দুই কপি ছবি নিয়ে নিবেন ।

# ট্যুরে থাকাকালীন সময় ঘুরোঘুরিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে গিয়ে অনেক সময় দুপুরের খাবার খেতে কিছুটা দেরি হয় এই ব্যাপারটা সবাই মেনে নিতে হবে 

# ট্যুরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ,গোলাযোগ এসব কারণে কোন সমস্যা হলে সবাই মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা রাখবেন । মনে রাখবেন সবার সহযোগীতায় একটি সুন্দর ট্যুর হয় ।

# বাসের আসন কনফার্ম করার ভিত্তিতে বন্টন করা হবে এবং ভুটানে ট্যুরিস্ট বাসে সামনে এবং পিছনে মিলিয়ে বসতে হবে একজন সবদিন সামনে বসবেন আর আরেকজন প্রতিদিন পিছনে বসবে এমন হবেনা ।।

# রাফটিং ,ঘোড়ায় চড়া বা ট্যুরিস্ট স্পটগুলোতে কোন অতিরিক্ত এ্যাক্টিভিটিজের খরচ প্রত্যেকেরটা তার নিজের

# বর্ডারগুলোতে অনেক সময় অতিরিক্ত সময় লাগার কারণে প্লানে কিছুটা সমস্যা হয় সেক্ষেত্রে সবার সহযোগীতা পেলে সবকিছু প্লান মতো করা সম্ভব হবে  এক্ষেত্রে সবার সহযোগীতা কাম্য । মনে রাখবেন আপনাকে সর্বোচ্চ ভালো ভ্রমণ অভিজ্ঞতা দিতেই আমাদের প্লানগুলো সেভাবে সাজানো হয় সেজন্য প্রয়োজনমতে প্লান কিছুটা পরিবর্ধন পরিমার্জন করা হলে সেটা পজিটিভ দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ থাকবে 

ভিসা প্রসেসিং এর জন্য আমাদের আপনার কাছ থেকে যা যা প্রয়োজন হবে :

-পাসপোর্ট /পাসপোর্টের ফটোকপি
-এক কপি ছবি
-বর্তমান ঠিকানা
-আপনার পেশা কি ? চাকুরীজিবি হলে আপনার প্রতিষ্টানের নাম ,পদবী এবং ঠিকানা দিতে হবে । আর ছাত্র হলে প্রতিষ্টানের নাম ,এড্রেস এবং আপনার বিষয় /ডিপার্টমেন্টের নাম ।
-আপনার সাথে যোগাযোগের নাম্বার ।
-ভারত ব্যাতীত অন্য কোন দেশ ভ্রমণ করে থাকলে তার নাম
-সর্বশেষ ভারতীয় ভিসার ফটোকপি (যারা আগে কখনো ভারত যাননি তাদের প্রয়োজ নেই )

এসব কাগজপত্র আমাদের অফিসে এসে জমা দিতে পারেন অথবা অনলাইনেও আমাদের কাছে জমা দিতে পারেন 

স্বপ্নযাত্রার সাথে ভ্রমণের কিছু নিয়ম কানুন যা আপনি ১০০% মেনে নিয়েছেন বলে আমরা ধরে নিবো :

-স্বপ্নযাত্রা সবসময় পারিবারিক বন্ধনে বিশ্বাস রাখে তাই আমরা ফ্যামিলি ফ্রেন্ডলী ভ্রমণকে উৎসাহিত করি আপনিও সেই ধারা বজায় রাখবেন এবং এটি একটি পারিবারিক ট্যুর হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন

-ভ্রমণে নানা ধরনের সমস্যা হঠাৎ করে চলে আসতে পারে যেমন বাস লেট ,রাস্তায় জ্যাম ,হঠাৎ এক্সিডেন্ট ,ধর্মঘট যেকোন সমস্যায় সবাই মিলে ডিসিশন নিবো এক্ষেত্রে যদি উল্লেখযোগ্য খরচ বেড়ে যায় তা সবাইকে বহন করতে হবে যেমন রাস্তার ঝামেলায় অতিরিক্ত একদিন সবাইকে থাকতেই হবে বা হঠাৎ করে জাতীয় কোন ইস্যুতে ট্যুর ক্যানসেল করতে হলো ।।

-মাদক বহন করা ও সেবন করা সম্পূর্ণ রুপে নিষিদ্ধ এ ধরনের অভিযোগ পেলে সাথে সাথে ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে

-যেকোন বিষয়ে এ্যাডমিনের সাথে আলাপ আলোচনা করুন

-নারী ও সিনিয়ার সিটিজেনরা ট্যুরে প্রাধান্য পাবে

-সিট লটারীর ভিত্তিতে বন্টন করা হবে তবে এক্ষেত্রে নারী ও সিনিয়ার সিটিজেনরা প্রাধান্য পাবে

আশা করি সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গিয়েছেন তারপরও কোন প্রয়োজনে 01717 960955 01886 960955 নাম্বারে ফোন করতে পারেন অথবা আমাদের অফিসে এসেও কথা বলতে পারেন Shop 106,Midtown shopping Mall ,Beside of Purobi Cinema Hall ,Mirpur 11 Dhaka 1216

  • Tags

বরফ ঘেরা সিকিমে স্বপ্নযাত্রার সাথে

সিকিম , ভারতের এই রাজ্যটির সৌন্দর্য্য সম্পূর্ন ভিন্ন পাহাড়ের মাঝে লেক আর বরফের ছড়াছড়ি …এখানে সুন্দর যেন নিজেকে তুলে ধরেছে পেঁখম মেলে ।। আর এই ডিসেম্বরে ভরপুর বরফে পরিপূর্ণ থাকবে সিকিমের সাঙ্গু লেক ও নর্থ সিকিম 🙂 ভাগ্য ভালো হলে স্নোফলও পেয়ে যেতে পারেন 🙂 আর এই বরফের রাজ্যে এবার যাবে স্বপ্নযাত্রার দল 🙂

ঘুরবো চাংগু লেক নর্থ সিকিম লাচুং-ইয়ামথাং ভ্যালী, জিরো পয়েন্ট 🙂 তাহলে চলুন বিস্তারিত জেনে নেই

রওয়ানা : ফেব্রুয়ারী ৬ তারিখ রাতের বাসে ঢাকা থেকে রওয়ানা
ফেরা ১২ তারিখ রাতের বাসে উঠবো ১৩ তারিখ সকালে এসে নামবো ঢাকাতে ।।

ফী : মাত্র ২২৪৯৯ টাকা ।।

এই টাকায়  যা যা পাচ্ছেন :-এসি বাসে ঢাকা থেকে বুড়িমারি /শিলিগুড়ি আসা যাওয়া
-লাক্সারী ইনোভা গাড়ীতে পুরো সিকিম ঘুরে বেড়ানো
-ফ্যামিলি স্ট্রান্ডার্ট মানের হোটেলে টুইন শেয়ারিং বেসিস থাকা
-প্রতিদিন নাস্তা ,দুপুর ও রাতের খাবার (অধিকাংশ খাবারই বুফে থাকবে)
-সিকিমে সব ধরনের গাইড ও আদারস চার্জ

যা যা পাচ্ছেন না :
-বাংলাদেশের ভিতরে বাস বিরতীতে কোন খাবার
-ব্যক্তিগত কোন খরচ
-বর্ডারের কোন স্পিড মানি (৬৪০)এবং ট্রাভেল ট্যাক্স (৫০০)
-লেখা নেই এমন যেকোন খরচ
-যেকোন এ্যাক্টিভিটিস যেমন ইয়াক রাইড .সহ যেকোন ধরনের স্পোর্টস এ্যাক্টিভিটিস এবং ট্যুরিস্ট স্পটের টিকেট

ট্যুর প্ল্যানঃ
০০ দিন (৬ তারিখ)
রাত ৭টার এসি বাসে বুড়িমারী বর্ডারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। ফুড ভিলেজ এ যাত্রাবিরতি। সকাল ৭টার মধ্যে বুড়িমারী পৌছানো। বাসের মধ্যবিরতিতে কোন খাবার থাকবেনা।
Breakfast (No), Lunch (No), Dinner (No)

১ম দিন (৭ তারিখ )
সকালে বর্ডারের হোটেলে নাস্তা করবো। বুড়িমারী ও চ্যাংড়াবান্ধা ইমিগ্রেশান ও কাষ্টমস এর সকল ফর্মালিটিজ শেষ করে ১২টার মধ্যে শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। দুপুরে শিলিগুড়ি পৌছেই রেস্টুরেন্ট এ ফ্রেশ হয়ে বাফেট লাঞ্চ। লাঞ্চ ইনোভা লাক্সারী গাড়ি করে আমাদের বহুল প্রত্যাশিত গ্যাংটকের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। পাহাড়ি আকাবাকা রাস্তার দু’পাশের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে দেখতে প্রায় সাড়ে চার ঘন্টা জার্নি শেষে আমরা পৌছাবো গ্যাংটক। হোটেলে চেকইন করে কিছুটা রেষ্ট নিবো। বিকেলটা নিজেদের মত ঘুরাঘুরি করবো। কেউ চাইলে গ্যাংটক এর বিখ্যাত শপিং মল M.G Marg এ ঘুরে আসতে পারবেন। নাইট স্টে গ্যাংটক।
Breakfast (Yes), Lunch (Yes), Dinner (Yes)

২য় দিন (৮ তারিখ )
সকালের বাফেট নাস্তা শেষে বেরিয়ে পড়বো লোকাল সাইটসিয়িং এ। আজকের দিনে আমরা যা যা দেখবোঃ Tashi View Point, Namgyal Institute of Tibetology, Hanuman Tok, Do-drul Chorten, Ganesh Tok,Banjhakri Water Falls & Energy Park, Flower Exhibition Centre-Ridge Park, Gangtok Ropeway etc। বিকেল সময় ফ্রি টাইম। চাইলে আপনারা এম জি মার্গ মলের আশেপাশে ঘুরে দেখতে পারেন কিংবা শপিং করেও সময় কাটাতে পারেন।
Breakfast (Yes), Lunch (Yes), Dinner (Yes)

৩য় দিন (৯ তারিখ )
সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে নাস্তা সেরে বেরিয়ে পড়বো চাংগু লেক এর উদ্দেশ্যে। পথিমধ্যে দেখতে পাবো অনেক ঝর্না। সাংগু লেকে নিজ খরচে রোপওয়ে ও ইয়াক রাইড করতে পারবেন। বাবা মন্দির ও নাথুলা পাস বাংলাদেশীদের জন্য কোন পারমিশান নেই । নাথুলা পাস ও বাবা মন্দির আমাদের প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত নয়। সাংগু লেক থেকে বিকেলের মধ্যে গ্যাংটক ফিরবো। পুরো বিকেল ফ্রি টাইম। চাইলে নিজেদের মত আশেপাশের শপিং মল ঘুরে দেখতে পারবেন।
Breakfast (Yes), Lunch (Yes), Dinner (Yes)

৪র্থ দিন (১০ তারিখ )
সকাল ৯টার মধ্যে আমরা লাচুং এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো। যাত্রাপথে আমরা যা যা দেখবোঃ Butterfly Waterfall or Seven Sisters Waterfalls (Anyone of them depends as per route open), Zero point, Naga Waterfalls, Bhim Nala Waterfalls। বিকেলের মধ্যে লাচুং পৌছে যাবো। লাচুং হোটেল এ চেকইন হয়ে ফ্রেশ হয়ে নিবো। বিকেল ফ্রি টাইম। নিজেদের মত আশেপাশে ঘুরে দেখবো।
Breakfast (Yes), Lunch (Yes), Dinner (Yes)

৫ম দিন (১১ তারিখ)
প্রায় ১৪০০০ ফুট উচ্চতার অপ্রুপ সৌন্দর্য ইয়ামথাং ভ্যালীর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো। কথা দিচ্ছি ইয়ামথাং ভ্যালী আপনার জন্য এক স্বর্গীয় অনুভূতি দিবে। ইয়ামথাং ভালী পর্যন্ত আমাদের পারমিশান। ইয়াম্থাং ভ্যালী থেকে জিরো পয়েন্ট যাওয়া সম্পুর্ন নির্ভর করবে পারমিশানের উপর। ইনস্ট্যান্ট পারমিশান হলে এক্সট্রা পেমেন্ট ড্রাইভারকে দিতে হবে যা প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত নয় (আনুমানিক ৫০০/৬০০ রুপী এক্সট্রা লাগতে পারে)। দুপুরের মধ্যে লাচুং হোটেলে ব্যাক করে ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চ করা হবে। ২টার মধ্যে গ্যাংটকের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। রাতের মধ্যে গ্যাংটক পৌছানো। নাইট স্টে গ্যাংটক।
Breakfast (Yes), Lunch (Yes), Dinner (Yes)

৬ষ্ট দিন (১২ তারিখ)
সকালে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে শিলিগুরির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। দুপুরের মধ্যে শিলিগুড়ি পৌছে বাফেট লাঞ্চ করে চ্যাংড়াবান্ধা বর্ডারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। বিকেল ৫টায় বুড়িমারী বর্ডার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু।
Breakfast (Yes), Lunch (Yes), Dinner (No)

শেষ দিন (১৩ তারিখ )
সকাল ৭টার মধ্যে ঢাকায় ব্যাক।
Breakfast (No), Lunch (No), Dinner (No)

আমাদের ফী কি অন্যদের থেকে বেশি ?
-জ্বী আমাদের ফী অন্যদের থেকে কিছুটা বেশি কারণ আমরা ঘুরবো টয়োটা ইনোভা গাড়ীতে যেখানে অন্যরা টাটা সুমো গাড়ীতে ঘুরায় । এছাড়াও আমাদের হোটেলের মান এবং খাবার থাকবে অধিকাংশ সময় বুফে স্টাইলে এজন্য আমাদের ফী অন্যদের থেকে কিছুটা বেশি 🙂

যে বিষয়টি আগেই জেনে রাখা ভালো :
বিশেষভাবে লক্ষ্য করতে হবে যে রাস্তা খারাপ বা হেব্বি স্নোফল এর কারণে কোন রাস্তা বন্ধ করে দিলে বা অনুমতি না দিলে সেক্ষেত্রে সবার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ভিন্ন স্পটে ঘুরোঘুরি করা হবে ।। এটা সবার খেয়াল রাখতে হবে ।। কারণ অতিরিক্ত স্নোফলের কারণে সৃষ্টি সমস্যার উপরে আমাদের কোন হাত নেই ।

কনফার্ম করবেন যেভাবে :

✔ ট্যুর কনফার্মেশন করার জন্য আপনাকে ১০২০০ টাকা টাকা জমা দিয়ে ট্যুর কনফার্ম করতে হবে (অফেরতযোগ্য) ,এক্ষেত্রে বিকাশ/ব্যাংক /বা অফিসে এসে সরাসরি জমা দিতে পারবেন । বিকাশ ০১৭১৭ ৯৬০৯৫৫ / ০১৯৭৭ ৯৬০৯৫৫ পার্সোনাল । আমাদের অফিস Shop 106,Midtown shopping Mall ,Beside of Purobi Cinema Hall ,Mirpur 11 Dhaka 1216 এসেও দেখা করে বুকিং দিতে পারেন বা যেকোন বিষয়ে আলাপ করতে পারেন 🙂 অথবা ব্যাংকেও টাকা পাঠাতে পারেন Mamun Billah Bhuiyan City Bank Ltd Comilla AC NO 2801822015001

বাকী টাকা যাবার ১০ দিন আগে পে করতে হবে ।।

 

বুকিং মানি অফেরতযোগ্য 🙂 তারপরও আমরা চেষ্টা করবো যাতে আপনার ক্ষতি কম হয় কিন্তু একদম শেষের দিকে এসে জানালে আমাদের কিছুই করা রনেই ।। নিয়ম মোতাবেক বুকিং মানি অফেরতযোগ্য ।

স্বপ্নযাত্রার সাথে ট্যুর করার ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশিকা যা আপনি মেনে নিয়েছেন বলে আমরা ধরে নিবো :

-স্বপ্নযাত্রা সবসময় পারিবারিক বন্ধনে বিশ্বাস করে সেজন্য প্রতিটি ট্যুরেই আমরা একটি পরিবারের মতো পারস্পরিক সহযোগীতার মাধ্যমে ট্যুর সম্পন্ন করার চেষ্টা করে থাকি । সেজন্য একটি ভ্রমণ পিপাসু ও পরিচ্ছন্ন মন থাকা জরুরী
-হঠাৎ করে যেকোন বিপদ এসে হাজির হওয়া যেমন রাস্তায় ধর্মঘট হরতাল,এক্সিডেন্ট বা যেকোন কারণেই হোক খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেলে সবাই মিলে তা বহন করতে হবে ।। যেমন রাস্তার সমস্যায় অতিরিক্ত একদিন থাকতে হবে বা উল্লেখ করার মতো অতিরক্ত টাকার বিনিময়ে ঢাকা ফিরতে হবে এমন ইস্যুতে সবাই মিলে অতিরিক্ত খরচটা বহন করতে হবে ।
-রাস্তায় হঠাৎ করে কোন বিপদ এসে পড়লে সবাই মিলে আলোচনার ভিত্তিতে সেটা আমরা সমাধান করবো এক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্টদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হবে ।

-নারী এবং সিনিয়ার সিটিজেনদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদশর্ন করতে হবে এক্ষেত্রে যেকোন সমস্যা বা অভিযোগ সরাসরি এডমিনকে জানাতে হবে ।

-কোন ধরনের মাদক /উশৃংখলতা কোনভাবেই মেনে নেওয়া হবেনা এধরনের অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে ।

– লটারীর ভিত্তিতে বাসের সিট বন্টন করা হবে ।

– জমাকৃত টাকা অফেরতযোগ্য তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো যেন আপনি কোন কারণে না যেতে পারলে আপনাকে যেন কিছু টাকা ফেরত দিতে পারি

-শৃংখলতা ও শালীনতার মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ আনন্দ করাই আমাদের লক্ষ্য

যেকোন প্রয়োজনে ফোন করতে পারেন ০১৭১৭ ৯৬০৯৫৫ ০১৮৮৬ ৯৬০৯৫৫ এই নাম্বারে অথবা আমাদের অফিস House 19,Block j ,Gate no 4 ,Extension Pallabi Residential Area ,Mirpur DHaka এসেও দেখা করে বুকিং দিতে পারেন বা যেকোন বিষয়ে আলাপ করতে পারেন

  • Tags

স্বপ্নযাত্রার সাথে সুন্দরবন (৫ই মার্চ)

sundarban tOUR

সুন্দরবন,বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন স্পট এবং পুরো বিশ্ব একনামেই চিনে বাংলাদেশের সুন্দরবনকে 🙂 প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে ভরপুর এই সুন্দরবন । সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড বনভূমি। ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে।
কল্পনা করুন একটা বড় শিপে সুন্দরবনের চারপাশে ঘুরছেন মাঝে মাঝে ছোট ছোট নৌকা নিয়ে সুন্দরবেন শান্ত শীতল খালগুলোতে ঘুরছেন আবার নৌকা থেকে নেমে সুন্দরবনের ভিতরে প্রবেশ করছেন 🙂 আনন্দের সাথে মনে একটু ভয়ও কাজ করবে কখন জানি বাঘ বা কোন হিংস্র প্রাণী আক্রমণ করে বসে …এমন ভয় উত্তেজনা আর আনন্দের সাথেই কাটবে আমাদের সুন্দরবন যাত্রা শিপে রাতের বেলা বসবে গানের আসর খোলা গলায় সবাই গাইবো আনন্দ করবো ,জমে উঠবে আসর ।

সুন্দরবন ট্যুরগুলো মুলত রিল্যাক্স ট্যুর ,আরামদায়ক ট্যুরিস্ট শিপে সুন্দরবনের সৌন্দর্য্য উপভোগ করবেন আর পেট ভর্তি নানা আয়োজনের প্রতি বেলার খাবার ট্যুরে আপনার ওজন বাড়িয়ে দিতেই পারে 🙂

আমাদের গত বছরের ট্যুরের ছবিগুলো দেখতে পারেন ধারণা পাবেন কেমন হয় সুন্দরবন ট্যুর https://goo.gl/ecuzrR

যাই হোক স্বপ্নযাত্রার প্লানটা শেয়ার করে ফেলি ::

✔ যাত্রা শুরু হবে ৫ই মার্চ রাত দশটার বাসে ।

✔ ট্যুর শেষ হবে :  ৮ই মার্চ  রাতের বাসে রওয়ানা হবো ৯ তারিখ ভোরে এসে ঢাকা নামবো ইনশাল্লাহ

ট্যুর ফী :

ট্যুর ফী নির্ধারণ করা হয়েছে
ব্যাচেলার ৮৭০০ টাকা জনপ্রতি
কাপল ৮৯৯৯ টাকা জনপ্রতি
(বাচ্চাদের খরচের ব্যাপারে এডমিনের সাথে সরাসরি কথা বলুন 🙂 ।।
।।

এই টাকার মধ্যে যা যা পাবেন :

✔ ঢাকা- খুলনা – ঢাকা নন এসি বাস (কেউ এসি বাস চাইলে আগে জানাতে হবে )
✔ সকালের নাস্তা ,দুপুরের খাবার, বিকালের নাস্তা ,রাতের খাবার ,সবসময় চা ও কফি
✔ শিপে তিনদিন থাকা টুইন শেয়ারে কেবিনে থাকা ,বালিশ এবং কম্বল
✔ বনের অস্ত্রধারী গার্ড
✔ বনে সরকার নির্ধারিত প্রবেশ ফী
✔ শিপে নিরাপত্তার সরঞ্জাম
✔ গাইড
✔ ছোট নৌাকাতে করে বনে ঘুরে বেড়ানো
মানে আপনার ব্যক্তিগত কোন খরচ ছাড়া আর কোন খরচই লাগবেনা 🙂

যা যা পাবেন না :

✔ ঢাকা টু খুলনা বাস বিরতির সম কোন খাবার
✔ব্যক্তিগত কোন খরচ
✔ ট্যুর ফীতে অর্ন্তভুক্ত এর বাইরে যেকোন খরচ

ট্যুর স্পটঃ

🌲হাড়বাড়ীয়া ইকো ট্যুরিজম
🌲কটকা অফিসপার
🌲টাইগার টিলা
🌲কটকা ওয়াচ টাওয়ার
🌲টাইগার পয়েন্ট
🌲জামতলা সী বীচ
🌲কচিখালী অভায়ারন্য
🌲কচিখালী খাল
🌲ডিমের চর
🌲করমজল (মিনি জু ও কুমির প্রযনন কেন্দ্র)

✔ ট্যুর মেম্বার : 20 জন

✔ যেভাবে কনফার্ম করবেন : কনফার্ম করার জন্য আপাতত ৪০৮০ টাকা বিকাশ করে কনফার্ম করে রাখতে হবে পরবর্তীতে বাকী টাকা নেওয়া হবে । তবে বর্তমানে কারো টাকা পয়সার সমস্যা থাকলে ২০৪০ টাকা দিয়েও কনফার্ম করে রাখতে পারবেন 🙂 পরবর্তীতে বাকীটা দিলেও চলবে 🙂 বিকাশ নাম্বার ০১৭১৭৯৬০৯৫৫ এছাড়া রকেটেও পাঠাতে পারেন ০১৭১৭ ৯৬০৯৫৫৪

আমাদের অফিস Shop 106,Midtown shopping Mall ,Beside of Purobi Cinema Hall ,Mirpur 11 Dhaka 1216 এসেও দেখা করে বুকিং দিতে পারেন বা যেকোন বিষয়ে আলাপ করতে পারেন

ব্যাংকে জমা দেবার ক্ষেত্রে একাউন্টা নাম্বার 2801822015001 mamun billah Bhuiyan City Bank Comilla

✔কনফার্ম করার শেষ তারিখ : যত দ্রুত সম্ভব কনফার্ম করুন নির্দিষ্ট কোন ডেট নেই , ৪০ জন পূর্ণ হলেই ক্লোজ করে দেওয়া হবে 🙂

ট্যুর প্লান :

ট্যুর আইটেনারীঃ

দিন ০ : ৫ তারিখ রাতে ঢাকা থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবো

🌿 দিন – ১ঃ (৬ তারিখ ) খুলনা ১ নং কাষ্টম ঘাট থেকে সকাল ৭:৩০ টায় গেষ্ট রিসিভ করে হাড়বাড়ীয়ার উদ্দেশ্যে জাহাজ ছেড়ে যাওয়া। সকাল ৮:৩০ মিনিটে ব্রেকফাষ্ট পরিবেশন করা। যেতে যেতে চোখে পড়বে রূপসা ব্রীজ, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মোংলা পোর্ট। আনুমানিক দুপুর ১/২ টায় হাড়বাড়ীয়া পৌঁছানো। লাঞ্চ এর পরে হাড়বাড়ীয়া ইকো ট্যুরিজম স্পট ঘুরে দেখা। হাড়বাড়ীয়াতে বন্যপ্রানীর পানি খাবার জন্য একটি মিষ্টি পানির পুকুর আছে। আছে বন ও বন্যপ্রানী পর্যবেক্ষণ করার জন্য ওয়াচ টাওয়ার। আর কাঠের তৈরী হাটার ট্রেইল। হাড়বাড়ীয়া ঘুরে আমরা জাহাজে ফিরে আসবো ও জাহাজ কটকার উদ্দেশ্যে রওনা দিবো। আনুমানিক রাত ১২ টার দিকে কটকা পৌঁছানো এবং রাতে জাহাজে অবস্হান।

🌿 দিন – ২ঃ খুব সকাল আনুমানিক ৬ টায় কটকা অফিস পার ও তিন টিলা সহ এলাকা ভ্রমন করা এবং জাহজে ফিরে এসে ব্রেকফাষ্ট করে জামতলা সী বীচের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা। যাওয়ার পথেই আমরা ওয়াচ টাওয়ার ও টাইগার পয়েন্টের ভিতর থেকে হেঁটে যাবো। বীচে ১ ঘন্টা সময় দিয়ে আমরা আবার জাহাজে ফিরে আসবো। (কটকা জামতলা বীচ যাওয়া আসা আনুমানিক ৬ কিলোমিটার)। জাহাজে ফিরে আমরা ছোট ক্যানেল দিয়ে কচিখালী অভায়ারন্যের দিকে রওনা করবো। দুপুর ৩ টা নাগাদ আমরা কচিখালী পৌঁছাবো। প্রথমে আমরা চলে যাবো ডিমের চর। সাগরের মাঝে ভেসে ওঠা এই চরে আমরা সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত কাটিয়ে চলে আসবো কচিখালীতে। কচিখালীতে প্রচুর হরিন দেখা যায়। কচিখালী ও কচিখালীর ক্যানেল ক্রুজিং করে সন্ধ্যার আগে শিপে ফিরে আসা ও শিপ ঢাংমারী ফরেষ্ট স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা করা।

🌿 দিন -৩ঃ সকালে আমরা ঢাংমারী ফরেষ্ট স্টেশন ও ঢাংমারী ক্যানেল ক্রুজিং করে জাহাজে ফিরে আসবো। ব্রেকফাষ্ট করে আমরা করমজল ভ্রমন করবো। করমজল একটি মিনি জু ও কুমির প্রযোনন কেন্দ্র। এখানে প্রায় ১ কিলোমিটার মত হাটার কাঠের ট্রেইল আছে। আছে অনেক উঁচু ওয়াচ টাওয়ার। সুন্দরবনের বড় ম্যাপটিও এখানে। করমজল ভ্রমন শেষে জাহাজে ফিরে আসা ও জাহাজ খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা করা। আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ টার দিকে খুলনা পৌঁছানো ও স্নাক্স পরিবেশন করা। স্নাক্স শেষে ট্যুরের সমাপ্তি ঘোষনা করা।

বিঃ দ্রঃ জোয়ার ভাটার কারনে ২/৩ ঘন্টা সময় ব্যবধান হতে পারে।।
আমরা এই তিনদিন যা যা দেখবো তা সংক্ষিপ্তভাবে :

খাবার :
আমরা সবসময়ই সুন্দরবনে ট্যুরে জম্পেশ খাবার দাবার দেই প্রতি বেলাই জম্পেশ খাবার দাবার থাকবে ডাবল মেনুর খাবার খেয়ে আপনার ওজন বেড়ে যেতেই পারে । এছাড়া হঠাৎ করে হয়তো জেলেদের কাছ থেকে তাজা তাজা কিনে নিবো সামুদ্রিক মাছ সহ আরও অনেক কিছু যাআপনাদের অন্যরকম আনন্দ দিবে ।। এছাড়া সবসময় চা কফির ব্যবস্হাতো আছেই ।

স্বপ্নযাত্রার সাথে ট্যুর করার ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশিকা যা আপনি ১০০% মেনে নিয়েছেন বলে আমরা ধরে নিচ্ছি :

-স্বপ্নযাত্রা সবসময় পারিবারিক বন্ধনে বিশ্বাস করে সেজন্য প্রতিটি ট্যুরেই আমরা একটি পরিবারের মতো পারস্পরিক সহযোগীতার মাধ্যমে ট্যুর সম্পন্ন করার চেষ্টা করে থাকি ।

-ট্যুরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ,গোলাযোগ ,রাস্তায় জ্যাম এসব কারণে কোন সমস্যা হলে সবাই মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা রাখবেন । মনে রাখবেন সবার সহযোগীতায় একটি সুন্দর ট্যুর হয় ।প্রাকৃতিক দুযোর্গ ,এক্সিডেন্ট বা যানজট এসবের উপরে আমাদের যেহেতু কোন হাত নেই তাই এসব ব্যাপারে অযথা দোষারোপ না করে বরং সিচুয়েশন থেকে বের হবার ব্যাপারে সবার সহযোগীতা কাম্য এছাড়া খরচ উল্লেখ্যযোগ্য বেড়ে গেলে কোন কারণে সেটা সবাইকে বহন করতে হবে

-নারী এবং সিনিয়ার সিটিজেনদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদশর্ন করতে হবে এক্ষেত্রে কোন ধরনের বেয়াদবী মেনে নেওয়া হবেনা ,এক্ষেত্রে যেকোন সমস্যা বা অভিযোগ সরাসরি এডমিনকে জানাতে হবে ।

-কোন ধরনের মাদক /উশৃংখলতা কোনভাবেই মেনে নেওয়া হবেনা এধরনের অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

-শৃংখলতা ও শালীনতার মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ আনন্দ করাই আমাদের লক্ষ্য

বাসের আসন লটারীর মাধ্যমে ঠিক করা হবে ,তবে সিনিয়ার সিটিজেন ও কাপলরা প্রাধান্য পাবে ।

আশা করি আমাদের প্লানটি সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা হয়ে গিয়েছে এবং সব পড়েই আপনি আমাদের সাথে যোগ দিয়েছে তারপরও কোন প্রয়োজন বা আরও কিছু জানার দরকার হলে নি:সংকোচে ফোন করুন ০১৭১৭ ৯৬০৯৫৫ /০১৯৭৭৯৬০৯৫৫ (বিল্লাহ মামুন) এই নাম্বারে ।

অথবা আমাদের অফিসে এসেও সরাসরি কথা বলতে পারেন আমাদের অফিস Shop 106,Midtown shopping Mall ,Beside of Purobi Cinema Hall ,Mirpur 11 Dhaka 1216

ধন্যবাদ

টিম স্বপ্নযাত্রা

  • Tags

স্বপ্নযাত্রার সাথে কেদারকান্থা ট্রেকে

কেদারকান্থা উত্তরাখান্ডের জনপ্রিয় ট্রেকিং রুট গুলোর মধ্যে অন্যতম ,তুলনামুলক সহজ বলে বিগেনারদের কাছেও এটি খুব জনপ্রিয় ।। এর উচ্চতা প্রায় ১২৫০০ ফুট ।। তবে বরফে ঘেরা বলে তাপমাত্রা আপনার জন্য ভালোই চ্যালেন্জিং হবে ।। শক্ত পোক্ত ঠান্ডার প্রস্তুতিতো নিতেই হবে ।। অসাধারণ কিছু দেখার জন্য অসাধারণ প্রস্তুতি নিতেই হবে ।। এতদিন শুধু ইন্টারনেটে ফেইসবুকে দেখলেই এবার স্বপ্নযাত্রা যাবে কেদারকান্থা ট্রেকিং রুটে ট্রেক করে ১২৫০০ ফুট জয় করতে 🙂 যাতে নিশ্চিন্তে সঙ্গি হতে পারেন যে কেউ 🙂

স্বপ্নযাত্রার অফিসিয়াল ফেইসবুক গ্রুপ : https://web.facebook.com/groups/shopnojatratravel/
এবং ওয়েবসাইট www.shopnojatraTours.com
আমাদের গ্রুপ স্বপ্নযাত্রা নিয়ে গ্রামীণফোনের এ্যাডটি দেখতে পারেন https://www.youtube.com/watch?v=oHEVlJxqCA0&t=

যাত্রা শুরু হবে :২০ ফেব্রুয়ারী রাত আনুমানিক এগারোটার বাসে ঢাকা থেকে বেনাপোলের উদ্দেশ্যে
ফিরবো : ২৮ তারিখ আমরা দেহরাদুন থেকে ফিরতি ট্রেনে উঠবো ২৯ তারিশ শনিবার সারাদিন ট্রেনেই থাকবো পরদিন ১লা মার্চ ভোরে এসে কলকাতা নামবো তারপর বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবো আশা করা যায় সোমবার সকালে এসে ঢাকা নামবো ।।

ফেরার বেলায় কেউ চাইলে দেহরাদুন থেকে সরাসরি বাই এয়ারে কলকাতা হয়ে ঢাকা চলে আসতে পারে । মানে চাইলে আসা যাওয়া দুই রাস্তাতেই কাস্টমাইজ করে নেওয়া যাবে সে বিষয়ে আমাদের সাথে কথা বলে নিতে পারেন 🙂

ভ্রমণ ফী :

ভ্রমণ ফী নির্ধারণ করা হয়েছে ২২৫০০ টাকা ।

আমরা যা যা দিবো আপনাকে :

-নন এসি স্ট্যান্ডার্ট বাসে ঢাকা টু বেনাপোল আসা যাওয়া
–বর্ডার থেকে বনগা ট্রেনে কলকাতা এবং কলকাতা থেকে স্লিপারে দেহরাদুন আসা যাওয়া
-দেহরাদুন থেকে দেহরাদুন ট্যুরের সবকিছু মানে থাকা খাওয়া গাইডিং সব
-সব ধরনের খাবার
-সব ধরনের টিকেট ও গাইড
মানে ব্যক্তিগত খরচ ছাড়া সবই প্যাকেজে রয়েছে 🙂

যা যা আমরা দিবোনা:

-বাস বিরতীর সময় কোন খাবার
-আপনার কোন ব্যক্তিগত খরচ

কনফার্ম করবেন যেভাবে :

ট্যুর কনফার্মেশন করার জন্য আপনাকে ১০২০০ টাকা জমা দিয়ে ট্যুর কনফার্ম করতে হবে (অফেরতযোগ্য) ,এক্ষেত্রে বিকাশ/ব্যাংক /বা অফিসে এসে সরাসরি জমা দিতে পারবেন । বিকাশ ০১৭১৭ ৯৬০৯৫৫ / ০১৯৭৭ ৯৬০৯৫৫ পার্সোনাল । আমাদের অফিস Shop 106,Midtown shopping Mall ,Beside of Purobi Cinema Hall ,Mirpur 11 Dhaka 1216 এসেও দেখা করে বুকিং দিতে পারেন বা যেকোন বিষয়ে আলাপ করতে পারেন 🙂 অথবা ব্যাংকেও টাকা পাঠাতে পারেন

Mamun Billah Bhuiyan City Bank Ltd Comilla
AC NO 2801822015001

বিস্তারিত ভ্রমণ প্ল্যান :

দিন ০ ২০ তারিখ বৃহষ্পতিবার : রাতের বাসে ঢাকা টু বেনাপোলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা

দিন ১ : শুক্রবার সকালে বর্ডারে পৌছে বনগা এক্সপ্রেসে/বাসে শিয়ালদাহ চলে আসবো সেখান থেকে হাওড়া পৌছে রাতের দুন এক্সপ্রেসে দেহরাদুনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবো

Day 2 : সারাদিন ট্রেনেই কাটবে

Day 3 : রবিবার ভোরে নামবো তারপর বাকী অংশগুলো এজেন্সী যেভাবে দিয়েছে সেভাবেই দিয়ে দিলাম Dehradun – Sankri (Drive 200km approx. 8hours)
Start your journey from Dehradun Railway Station early morning at 9 AM and the journey will be through Mussoorie, all the way to Sankri, the start point of the trek. The drive is an amazing one as it will take you through Kempty Falls in Mussoorie, Barkot, Purola, Mori along the Tons River and finally you will arrive at Sankri. Transport will be arranged and you can check in a guest house in Sankri. Dinner and early retirement for the day as you must get up early for the trek next day.

Day 4 : Sankri – Juda Ka Talab ( 4 km )
Start your trek from Sankri after breakfast to Juda ka Talab which is 4 km at an altitude of around 9000 ft. You will be camping near a pond and the surroundings are covered with oak and pine trees which make it an amazing location for camping. The trek will take 4 to 5 hours to reach. Camp and enjoy the day with nature and the beautiful view of the mountains.

Day 5 : মঙ্গলবার Juda ka Talab – Kedarkantha base ( 4 km )
After breakfast, move steadily towards Kedarkantha base camp which is at 11000 ft and will take around 3 to 4 hours to reach. Today, the trek will be mostly through pine and oak trees. On the way, you can also find shepherd huts.

Day 6 :বুধবারে Kedarkantha base camp – Kedarkantha peak – Hargaon camp ( 6 Km )
Trek to Kedarkantha Summit peak after an early breakfast which will take around 4 hours. The peak will give you a view of all the snow-clad mountain ranges of the state of Uttarakhand. Enjoy the view and rest for a while and have lunch before you trek back to base camp by evening.

Day 7 :বুহষ্পতিবার Hargaon camp ( 6 km ) – Sankri
Trek back to Sankri, 6000 ft from Hargaon 8900 ft which will take around 4 hours. The trail is covered with pine and oak trees with the snow-clad mountains. Reach Sankri which will commence the trek. Take home the beautiful and amazing memories of the trek. Enjoy your evening for Kedarkantha summit. Overnight stay at Sankri.

Day 8 শুক্রবার : Departure day (Sankri to Dehradun)
Distance: 220 km drive, approx 10 hours. You will be dropped at Dehradun station in a Tata Sumo or a similar vehicle. Train time : 8 pm.

Day 9 :শনিবার সারাদিন ট্রেনে

Day 10 : রবিবার কলকাতা পৌছে বর্ডারে চলে আসবো রাতের বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবো 🙂 পরদিন ভোরে এসে ঢাকা পৌছাবো ।। কেউ চাইলে একদিন অতিরিক্ত কলকাতা কাটিয়ে বা সরাসরি বিমানেও বাংলাদেশে চলে আসতে পারেন 🙂

এই ট্যুরের স্পেশাল কথা :

– এটি ট্রেকিং ট্যুর তাই বুঝতেই পারছেন আরামের চিন্তা না করাই ভালো ,আপনি ট্রেকটি শেষ করতে পারবেন কিনা এ নিয়ে কোন সন্দেহ থাকলে এডমিনের সাথে কথা বলুন
-বরফে চলার উপযোগী জুতা এবং কাপড় চোপড় লাগবে যা কিনতে আমরাই সহযোগীতা করবো 🙂
-ট্রেকে থাকাকালীন সাধারণত নুডলস এবং ভেজিটেবল দিয়েই খাবার চালিয়ে যেতে হবে ।। তবে এসব বিষয়ে গাইডরাই সকল কাজ করবে ।।
-যেহেতু ট্রেনের টিকেট কাটতে হবে তাই যত দ্রুত কনফার্ম করা যায় তত ভালো পরে ট্রেনের টিকেট নাও পেতে পারেন ।।

স্বপ্নযাত্রার সাথে ট্যুর করার ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশিকা যা আপনি ১০০% মেনে নিয়েছেন বলে আমরা ধরে নিবো :

-স্বপ্নযাত্রা সবসময় পারিবারিক বন্ধনে বিশ্বাস করে সেজন্য প্রতিটি ট্যুরেই আমরা একটি পরিবারের মতো পারস্পরিক সহযোগীতার মাধ্যমে ট্যুর সম্পন্ন করার চেষ্টা করে থাকি । সেজন্য একটি ভ্রমণ পিপাসু ও পরিচ্ছন্ন মন থাকা জরুরী
-হঠাৎ করে যেকোন বিপদ এসে হাজির হওয়া যেমন রাস্তায় ধর্মঘট হরতাল,এক্সিডেন্ট বা যেকোন কারণেই হোক খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেলে সবাই মিলে তা বহন করতে হবে ।। যেমন রাস্তার সমস্যায় অতিরিক্ত একদিন থাকতে হবে বা উল্লেখ করার মতো অতিরক্ত টাকার বিনিময়ে ঢাকা ফিরতে হবে এমন ইস্যুতে সবাই মিলে অতিরিক্ত খরচটা বহন করতে হবে ।
-রাস্তায় হঠাৎ করে কোন বিপদ এসে পড়লে সবাই মিলে আলোচনার ভিত্তিতে সেটা আমরা সমাধান করবো এক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্টদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হবে ।
-নারী এবং সিনিয়ার সিটিজেনদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদশর্ন করতে হবে এক্ষেত্রে যেকোন সমস্যা বা অভিযোগ সরাসরি এডমিনকে জানাতে হবে ।
-কোন ধরনের মাদক /উশৃংখলতা কোনভাবেই মেনে নেওয়া হবেনা এধরনের অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে । সিগারেট খেতে পারেন তবে সেটা সবার থেকে সাইডে গিয়ে যাতে কারো কোন সমস্যা না হয় 🙂
– লটারীর ভিত্তিতে বাসের সিট বন্টন করা হবে ।
-শৃংখলতা ও শালীনতার মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ আনন্দ করাই আমাদের লক্ষ্য।
যেকোন প্রয়োজনে ফোন করতে পারেন ০১৭১৭ ৯৬০৯৫৫ ০১৮৮৬ ৯৬০৯৫৫ এই নাম্বারে অথবা আমাদের অফিস Shop 106,Midtown shopping Mall ,Beside of Purobi Cinema Hall ,Mirpur 11 Dhaka 1216এসেও দেখা করে বুকিং দিতে পারেন বা যেকোন বিষয়ে আলাপ করতে পারেন।

  • Tags
Facebook
YouTube